শিশু বাচ্চাদের পিঠে ব্যথাঃ চিকিৎসায় করণীয়

বড়দের মতো শিশুদেরও পিঠে ব্যথা হয়। সাধারণত মাংসপেশির টান, ভারসাম্যহীনতা, পিঠ বেঁকে যাওয়া, মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে যাওয়া, কশেরুকা সরে যাওয়া, সংক্রমণ ইত্যাদি কারণে পিঠে ব্যথা হয়।

জ্বর হওয়া কিংবা ওজন কমে যাওয়া, দুর্বলতা কিংবা অসাড় অনুভূতি, হাঁটতে সমস্যা, ব্যথা একপর্যায়ে বা দুপায়ে ছড়িয়ে পড়া, পায়খানা বা প্রস্রাব করতে সমস্যা হওয়া ইত্যাদি শিশুদের পিঠে ব্যথার কিছু উপসর্গ।

শিশুদের পিঠে ব্যথার কারণ নির্ণয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা কী?

পরীক্ষা-নিরীক্ষা

শিশুর পিঠব্যথার কারণ খুঁজে বের করতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। অর্থোপেডিক ডাক্তার আপনার শিশুর সর্বিক স্বাস্থ্য নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন করতে পারেন, সেগুলোর সঠিক উত্তর দিতে হবে। চিকিৎসক আপনার শিশুর পিঠ পরীক্ষা করে দেখবেন। তাঁকে সব ধরনের সহযোগিতা করতে হবে।

ল্যাবরেটরি পরীক্ষা

ইনফেকশন রয়েছে কি না, তা দেখার জন্য রক্তের পরীক্ষা (সিবিসি), ইএসআরসি-রিঅ্যাকটিভ প্রোটিন (সিআরপি)।
অনেক সমস্যায় রিউমাটয়েড স্কিন পরীক্ষা করার প্রয়োজন হয়।

রেডিওলজি পরীক্ষা

প্লেইন এক্স-রে মেরুদণ্ডের হাড় সরে গেছে কি না, হাড় ভেঙেছে কি না, ক্ষয় হয়েছে কি না ইত্যাদি দেখার জন্য এবং মেরুদণ্ডের সার্বিক আকৃতি বোঝার জন্য পিঠের এক্স-রে করতে হবে।
এমআরআই স্ক্যান-ডিসাইটিস, ডিস্কের ক্ষয়, ডিস্কের প্রোলাপস ও স্পাইনাল কর্ডে কোনো সমস্যা রয়েছে কি না তা দেখার জন্য এমআরআই পরীক্ষা করতে হবে।

চিকিৎসা

ব্যথা অনেক সময় বিশ্রাম নিলে চলে যায়। যদি ব্যথা না যায়, তাহলে ব্যথানাশক ওষুধ প্যারাসিটামল বা আইব্রুফেন দেওয়া যেতে পারে। কখনো কখনো ফিজিক্যাল থেরাপির প্রয়োজন হয়।
ক্ষেত্রবিশেষে অপারেশনের প্রয়োজন হয়।

ntv

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *